জর্জিয়ার খবর

জর্জিয়া আওয়ামীলীগের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন
Published : 08.07.2014 02:26:49 pm

গত ৭ জুলাই সোমবার জর্জিয়া আওয়ামীলীগের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় গুইনেট কাউন্টির সু পরিচিত লিলবার্ন ক্যাফে রেস্টুরান্টে । জর্জিয়া আওয়ামীলীগের সভাপতি এম মাওলা দিলুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের সঞ্চালনে আলোচনা সভা শুরু হয় মাহে রমজানের ইফতার ও দোয়া মাহফিলের প্রায় দুই ঘন্টা পূর্বে । জর্জিয়া আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাকালীন বর্ষীয়ান নেতা ও ঐক মতের সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য আ:রশিদ মোল্লাহ ও আজিজুর রহমান জর্জিয়া আওয়ামীলীগের আসন্ন সম্মেলনের সর্বশেষ বিষয় সকলকে অবহিত করেন । তারা জানান অচিরেই জর্জিয়া আওয়ামীলীগের সম্মেলন সম্পন্ন করনের দিন ক্ষণ জানানো হইবে । এ বিষয়ে তারা যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ দের সাথে ও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন । তারা আরো জানান আমরা সম্মেলন বিষয়ে যুক্তরাষ্ট আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ডা : মুহাম্মদ আলী মানিক ও জনাব আলী হোসেনের সাথে আলোচনা করে কোনো আশানুরূপ সহায়তা পাইনি এবং আসন্ন সম্মেলনে তাদের সহায়তা ও কামনা করছি । আমরা এখনো আশাবাদী উনারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করে সম্মেলন সম্পন্ন করনে অগ্রণী ভুমিকা পালন করবেন । আমরা চাই জর্জিয়াতে একটি ঐক্যবদ্দ সম্মেলন উপহার দিয়ে জর্জিয়া আওয়ামীলীগকে শক্তিশালী করতে । উম্মুক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন মেহেদী সাদেক , ইসতিয়াক আহমেদ জুলু ,জনাব মশিউর রহমান চৌধুরী ,মাহতাব হোসেন,নাসির মাওলা ,ইমদাদ হোসেন,মুকুল হোসেন ,আরিফ হোসেন ,মোশাররফ হোসেন , এ এইচ রাসেল ,রইচ উদ্দিন , আলী খান,আলী হোসেন ,আহমেদ চুন্নু ,গোলাম মহিউদ্দিন,ফরহাদ হোসেন ,ফারুক হোসেন প্রমুখ । অসুস্থতার কারণে সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটির অপর সদস্য গোলাম রহমান উপস্থিত হতে পারেননি । দেশ ও দুনিয়ার মঙ্গল কামনায় ও মহান আল্লাহ তালার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে ইফতার পূর্ব দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন জনাব আজিজুর রহমান । ইফতারের পর সকলে নৈশ ভোজে মিলিত হন ।

বিস্তারিত
জর্জিয়া আওয়ামীলীগের ইফতার মাহফিল ৭ জুলাই সোমবার

আগামী ৭ জুলাই সোমবার আটলান্টার ৯০০ ইন্ডিয়ান ট্রেইল রোড, লিলবার্ন, জর্জিয়া ৩০০৪৭ ঠিকানাস্থ লিলবার্ন ক্যাফে রেস্টুরেন্টে জর্জিয়া আওয়ামীলীগের উদ্যোগে এক ঈফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। জর্জিয়া আওয়ামীলীগের সভাপতি এম মওলা দিলু ও সাধারন সম্পাদক মাহমুদ রহমান সাক্ষরিত উক্ত ইফতার মাহফিলের আমন্ত্রণ লিপিতে পবিত্র রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের অসংখ্য মুসলমান এই পবিত্র রমজান মাসে তাঁদের সিয়াম সাধনার মাস হিসেবে রোজা পালন করে আসছে। এই রোজা আমাদের ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম। কাজেই আমাদের এখনি সময় এই পবিত্র মাসে নিজেদের আত্মশুদ্ধি ও ধর্মীয় মূল্যবোধে রমজানকে যথার্থভাবে আত্মস্থ করা। উক্ত ইফতার মাহফিলে দলমত নির্বিশেষে আপনার সদয় উপস্থিতি পবিত্র রমজান মাসে আমাদের এই উদ্যোগকে সার্থক করবে।

নিউ ইয়র্কে স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণের আশ্বাস

ভাষা শহীদদের সম্মানে নিউ ইয়র্কে স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন নিউ ইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের ডেমোক্র্যাটদলীয় সদস্য ড্যানিয়েল ড্রোম। রোববার নিউ ইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসের ডাইভার্সিটি প্লাজায় এক পথমেলায় এ আশ্বাস দেন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অভিবাসন সম্পর্কিত কমিটির এই চেয়ারপারসন। পথমেলার আয়োজক জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের (জেবিবিএ) সাধারণ সম্পাদক আবুল ফজল দিদারুল ইসলাম রোববার সিটি কাউন্সিলম্যান ড্রোমের প্রতি অনুরোধ জানান, আগামী বছর ২১ ফেব্রুয়ারির আগেই যেন এই ডাইভারসিটি প্লাজায় স্থায়ী শহীদ মিনারের ব্যবস্থা করা হয়। এ সময় ড্রোম আগামী ফেব্রুয়ারির আগেই সিনেটে স্থায়ী শহীদ মিনারের নির্মাণ সংক্রান্ত বিল পাসের আশ্বাস দিলে উল্লসিত হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানে উপস্থিত বাঙালিরা। পথমেলায় প্রখ্যাত লোক সঙ্গীতশিল্পী মমতাজ, প্রতিক হাসান, নওশীন, শাহ মাহবুব, লেমিস, কালামিয়া প্রমুখ জনপ্রিয় গান গেয়ে শোনান। অনুষ্ঠানে শিল্পী মমতাজ এবং উত্তর আমেরিকায় সর্বাধিক প্রচারিত সাপ্তাহিক ঠিকানা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এম এম শাহীনকে জেবিবিএর পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট দেয়া হয়। পথমেলায় বক্তব্য রাখেন জেবিবিএর সভাপতি মো. মহসিন মিয়া, পথমেলা কমিটির আহবায়ক মোহাম্মদ পিয়ার এবং সদস্য সচিব মুনসুর এ চৌধুরী।

প্রবাস

ইফতার পার্টি রমজানের পবিত্রতা নষ্ট করছে নাতো ?
Published : 08.07.2014 02:44:13 pm

রহমত, মাগফেরাত এবং নাজাত সম্মৃদ্ধ বরকতময় রমযান মাস অতিবাহিত হচ্ছে । মহান স্রষ্টার পক্ষ থেকে তার সকল রোযাদার বান্দাহের প্রতি করুনার ফল্গুধারা বর্ষিত হচ্ছে । রমযানের প্রত্যেকটি নেক আমলের সওয়াব স্বয়ং স্রষ্টা কয়েকগুন বৃদ্ধি করে দেন । আল্লাহ তায়ালা হাদীসে কুদসীতে ঘোষণা করেছেন , ‘রোযা আমার জন্য এবং এর প্রতিদান আমি নিজ হাতে দিব’ । রমযান মাসের মর্যাদার কোন সীমা পরিসীমা নেই । এ মাসে যেমন অতীতেকৃত গুনাহ থেকে পরিত্রান পাওয়া যায় তেমনি অগণন সওয়াবের অধিকারী হওয়া যায় । প্রত্যেকটি আমল তার পূর্বেরকার আমলের চেয়ে ককেগুন বেশি তাৎপর্য বহন করে । রোযা মানুষকে সকল ধরনের পাপাচার থেকে বিরত রাখে । এ মাসে শয়তানকে শৃঙ্খলায়িত করা হয়, রহমতের দরজা সমূহ খুলে দেয়া হয় এবং রমযান মাসে আল্লাহ তায়ালা তারা বান্দাহদেরকে অবারিত সুযোগ দান করেন । আল্লাহর দেয়া সে সুযোগ যারা গ্রহন করে তারা আল্লাহর প্রিয় ব্যক্তিতে পরিনত হয় আর যারা নিজেদের কপটতা প্রদর্শন করার জন্য আল্লাহর সাথে শত্রুতা পোষণ করে আল্লাহও তাদের সাথে শত্রুতা পোষণ করেন এবং তাদের প্রতি আল্লাহর লানত পতিত হয় । রোযা পালনের মাধ্যমে যেমন শারীরীক উপকার সাধিত হয় তেমনি আত্মিক পবিত্রতা অর্জিত হয় । রোযা মানুষকে পাপাচার থেকে বিরত রাখে এবং অধিক সওয়াব হাসিলের সুযোগ করে দেয় । সেহরি থেকে শুরু করে ইফতার গ্রহন আবার ইফতার গ্রহন থেকে শুরু করে সেহরি গ্রহন পর্যন্ত প্রতিটি সৎ কাজেই মানুষ আল্লাহর পক্ষ থেকে নেয়ামত প্রাপ্ত হয় । দিনে পানাহার থেকে বিরত এবং রাতে আল্লাহর স্মরণে নামাজে দাঁড়ানোর মধ্যে অসংখ্য ফায়দা লুকায়িত । রোজার মাসে যে সকল কাজের মাধ্যমে অধিক সওয়াব হাসিল করা যায় তার মধ্যে অন্য রোযাদারকে ইফতারি করানো অন্যতম । হাদীস শরীফে মানবতার মুক্তির দুত, সর্বশ্রেষ এবং সর্বশ্রেষ্ট রাসূল, নবী-রাসূলদের সরদার হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ঘোষণা করেছেন, কোন রোযাদার ব্যক্তি যদি অন্যরোযাদার ব্যক্তিকে ইফতার করায় হোক সে একটি খুরমা দ্বারা কিংবা এক গ্লাস পানি দ্বারা তবে সে ব্যক্তি ঐ রোযাদার ব্যক্তির সমপরিমান সওয়াকের অধিকারী হবে। তবে যে ব্যাক্তিকে ইফতার করানো হবে তার সওয়াব থেকে সওয়াব কমানো হবে না’। সুতরাং সকল রোযদার ব্যক্তি রোযার মাসে অন্য রোযাদারদের ইফতার করানোর মাধ্যমে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) ঘোষিত সওয়াবের মালিক হতে চায় । আমাদের সমাজে এ মহিমান্বিত হাদিসখানা বাস্তবায়ণ করার অনেক ধরনের পন্থা লক্ষ করা যায় । এসকল পন্থার মধ্যে কিছু পন্থা ইসলাম আদৌ সমর্থন করে কিনা তা নিয়ে ধর্ম বিশেষজ্ঞদের সংশয় প্রকাশ পরিলক্ষিত হয় । ছোটবেলায় দেখেছি, বিশ রমজানের পরে গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে দাওয়াতের ধুম পড়ে যেত । বিশেষ করে শ্ববে-ক্বদরের দিন বিকেলে প্রায় সব পরিবারেই ইফতারীর দাওয়াত থাকত । সাধারণ মানুষ সমস্যায় না পড়লেও মহল্লার মসজিদের ইমাম সাহেবকে সমস্যায় পড়তে হত । কেননা রমযান মাসে প্রতিদিন তার একাধিক বাড়িতে দাওয়াত থাকত । ইমাম সাহেব সবার সন্তুষ্টি রক্ষা করার জন্য কারো বাড়ীতে ইফতার, কারো বাড়িত রাতের খাবার আবার কারো বাড়িতে সেহরী খেতেন । যেদিন এভাবেও সিডিউল মিলাতে পারতেন না সেদিন অসুস্থতার বাহানা করে নিজ বাড়ীতেই ইফতার করতেন । তবে বর্তমানে ইমাম সাহেবরা এ ঝামেলা থেকে মুক্তি পেয়েছেন । গ্রামের সে ঐতিহ্যবাহী সান্ধ্যকালীন মিলাদ দোয়া-কালাম পাঠের প্রথা এবং অনেকগুলো পরিবারের সবাই একসাথে বসে ইফতারী করার প্রচলন প্রায় উঠে গেছে । এখন আর ইমাম সাহেবকে রমযান মাসে এ বাড়ি ও বাড়ি দাওয়াত খাওয়ার ঝামেলা পোহাতে হয় না বরং এলাকাবাসী যে যার তাওফীক অনুযায়ী মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করে । গ্রামের এ প্রথা থেকে শহরের প্রথা সম্পূর্ণ ভিন্ন । গ্রামে যেরকম দোয়া-কালামের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হত সেভাবে শহরে দেখা যায় না । শহরে আয়োজন করার হয় বর্ণিল ইফতার পার্টির । রাজনৈতিক নেতারা থেকে শুরু করে শহরের মজুর শ্রেণী পর্যন্ত সকলের অনুষ্ঠানের মানভেদে একই ঘারানার আয়োজন । বাহারি খাবারের পশরা সাজিয়ে আলোকোজ্জ্বল পরিবেশে পাশাপাশি ডাইনিং টেবিলে ডজন ডজন চেয়ারে বসে ইফতার পার্টি । সারা শহর খুজলেও গ্রামের মত পাটি বিছানো অবস্থার কাউকে ইফতারী করতে দেখা যায় না। শহরে রাজনৈতিক দলগুলোকেই বেশিরভাগ ইফতার পার্টির আয়োজন করতে দেখা যায় । ইফতার পার্টির সবচেয়ে বড় আকর্ষন মিডিয়া কভারেজ । বিভিন্ন মিডিয়ায় ইফতার পার্টির খবর প্রচার-প্রকাশ করার ব্যবস্থা করা হয় । কোন দলের ইফতার পার্টিতে বেশি লোক হয়েছিল তা নিয়ে হম্বিতম্বি আরও কত কী ? যে সকল নেতারা সমাজের নিচু স্তরের লোকদের বছরেও একবার খোঁজ নেন না তাদেরকেও ঘটা করে ইফতার পার্টিতে নিয়ে আসা হয় । শুধু অসহায়দেরকেই নয় বড় বিত্তবানসহ সকলেই পালাক্রমে ইফতার পার্টিতে আমন্ত্রিত হন । এ ইফতার পার্টির পিছনে বিভিন্ন প্রকার উদ্দেশ্য থাকলেও সওয়াব অর্জনকেই সম্ভবত সবচেয়ে বেশি গুরুত্বারোপ করা হয় ! শরীয়তের অন্য কতগুলো বিধানের মত নামাজ,রোযা এবং পর্দাকে ফরজ করা হয়েছে । ইফতার করা সুন্নাত । আমাদের সমাজে বিশেষ করে শহুরে সমাজে দেখা যয় শরীয়তের তিনটি হুকুমকে অমান্য করে সুন্নাত পালনের জন্য মানুষ উম্মত্ততায় ভোগে । রোযাদার নারী-পুরুষ যদি পর্দাসহকারে ইফতার পার্টিতে যোগদান করতে পারেন তবে সেটাই উত্তম । আর যদি ইফতার পার্টির নামে পর্দা প্রথার অবমাননা হয় তবে সে ইফতার পার্টির ন্যূনতম মূল্য আছে কিনা সেটা ভেবে দেখা আবশ্যক। তবে হ্যা এ ইফতার পার্টি দ্বারা দুনিয়ার কিছু স্বার্থ অর্জিত হতে পারে তবে সেটা আখেরাতের জন্য নয় । অনেক রোযাদার ভাই-বোনকে দেখা যায় ইফতার পার্টিতে অংশগ্রহন করে মাগরিবের নামায পড়ার সুযোগ পাননা কিংবা ইচ্ছাকৃত নামাজ ছেড়ে দেন । তাদের জ্ঞাতার্থে বলছি, এক ওয়াক্ত নামাজ ছেড়ে দেয়ার পাপ সারা জীবন ইফতার পার্টিতে যোগদান কিংবা ইফতার পার্টিতে হাজার হাজার মানুষকে নিমন্ত্রন করে খাওয়ালেও মোচন হবে না । কাজেই এ ব্যাপারে মুসলমানদের যথেষ্ট সচেতনতার দাবী রাখে । ইফতার পার্টিতে যদি রমযানের পবিত্রতা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাতে তবে সে পার্টি এড়ানো ফরজ তবে যদি শরীয়ত বর্জিত কোন কাজ না হওয়ার নিশ্চয়তা থাকে তবে সে পার্টিতে অবশ্যই সওয়াব হবে এবং আমন্ত্রন পেলে সে ইফতার পার্টিতে শরীক হওয়াও জরুরী । রোযা যদি শুধু না খেয়ে থাকার নাম হয় তবে মানুষ ছাড়াও বিশ্বের অনেক প্রাণী রোযা রাখে । আমাদেরকে মনে রাখতে হবে, কেবল না খেয়ে থাকার নাম রোযা নয় বরং এটাকে উপোস বলা যেতে পারে । রোযার সংজ্ঞায় ইসলামিক স্কলারবৃন্দ বলেছেন, সূর্যোদয়ের পূর্ব থেকে সুর্যাস্ত পর্যন্ত সকল প্রকার পানাহার, পাপাচার কামাচার থেকে বিরত থাকার নামই রোযা । কাজেই এ নির্দিষ্ট সময় ভূখা থাকার সাথে সাথে শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রতঙ্গকেও পাপ কার্য থেকে বিরত রাখতে পারলেই শরীয়তের বিধানানুযায়ী রোযার হুকুম পালন হবে । সারাদিন না খেয়ে থেকে অনর্গল মিথ্যা কথা বলা কিংবা ফরজ নামাজ ছেড়ে দেয়ার নাম রোযা নয় বরং এটা কেবল শরীরকে কষ্ট দেয়ার নামান্তর । এ প্রকার রোযার মাধ্যমে আল্লাহর হুকুম পালন হয়না কিংবা এ দ্বারা সওয়াবের অধিকারী হওয়ার আশা করা যায় না । সুতরাং প্রতিটি মুসলমান রোযাদার নর-নারীর উচিত শরীয়তের বিধানাবলীকে পুঙ্খানূপুঙ্খরুপে পালন করা এবং যে কাজে পাপ হয় তা থেকে যথাসাধ্য বিরত থাকা । আল্লাহ আমাদেরকে সঠিক দ্বীনের বুঝ দান করুন । রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করার তওফীক দিন এবং রমজানের সকল ফায়েদার মালিক যেন আমরা প্রত্যেকেই হতে পারি তার জন্য যথাযোগ্য চেষ্টার মানসিকতা তৈরি করি । রমযানের রোযা পালনের মাধ্যমে যেন আমরা ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তিলাভ করতে পারি । আল্লাহ আমাদেরকে শারীরীক এবং মানসিকভাবে সুস্থ রাখুন যেন আমরা রমযানমাস জুড়ে তার সকল আদেশ নিষেধ পালন করতে পারি ।

বিস্তারিত
কুয়েতে বাংলাদেশ কুরআন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ইফতার মাহফিল

কুয়েতে প্রবাসি ও বিদেশি অতিথিদের সম্মানার্থে বাংলাদেশ কুরআন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রমজান শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে। কুয়েতে রিগাইস্থ রামাদা হোটেলে ৫ জুলাই শনিবার সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ওয়াহিদুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুয়েত ইন্টারন্যাশনাল ইসলামী সংস্থার চেয়ারম্যান হামুদ আল রুমি। সংগঠণের কেন্দ্রীয় সভাপতি হাফেজ মাওলানা নুরুল আলম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুয়েত মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. আদেল আল দামখি, কুয়েত ধর্ম মন্ত্রনালয়ের ইমাম ও খতীব নাসের আল আতিকী। অনুষ্ঠানে কোরআন-হাদিসের আলোকে রমজান শীর্ষক আলোচনা করেন মাওলানা আব্দুর রব, ডঃ আমান, প্রকেৌশলী মোসত্মাকুল হাসান খান প্রমুখ। সেই সময় কুয়েতের বিভিন্ন আরবী সংস্থার বেশ কয়েকটি দেশের প্রধানসহ কুয়েত প্রবাসি সুধীজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

পদ্মা সেতুর মূল অংশের কাজ চলতি মাসেই শুরু হচ্ছে : মন্ত্রী

যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পদ্মা সেতুর মূল অংশের কাজ চলতি জুলাই মাস থেকে শুরু হবে এবং ২০১৮ সালের মধ্যে এই সেতুর ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচল করবে।তিনি বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণে সর্বমোট ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় হবে না। এটি একটি দোতলা সেতু হবে। নিচ দিয়ে ট্রেন এবং ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচল করবে।তিনি আজ মঙ্গলবার সরকারি দলের বেগম ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পির এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতুর মূল অংশ নির্মাণে ১২ হাজার ১শ’ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এছাড়া নদী শাসনে ৮ থেকে ৯ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে পদ্মা সেতু প্রকল্পের আড়াই হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে।স্বতন্ত্র সদস্য হাজী মো. সেলিমের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, পদ্মা সেতুর দুই পাড়ের সংযোগ সড়ক নির্মাণে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের প্লটসহ ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়েছে।তিনি বলেন, এখনও যদি প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকগণ ক্ষতিপূরণ না পেয়ে থাকেন, তারা স্থানীয় জেলা প্রশাসন অফিসে যোগাযোগ করলে ন্যায্যতার ভিত্তিতে তাদের ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে। সরকারি দলের ডা. সিরাজুল আকবরের অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে যোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, দু’টি পদ্মা সেতু এক সঙ্গে করার সামর্থ্য বাংলাদেশের রয়েছে কি-না বিষয়টি আমাদের বিবেচনা করে দেখতে হবে। তারপরও পিপিপি’র মাধ্যমে দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর কাজ শুরু করার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী ফিজিবিলিটি স্টাডি করা হচ্ছে।মন্ত্রী পদ্মা সেতু বিষয়ে সরকারি দলের ধীরেন্দ্র নাথ সম্ভু ও স্বতন্ত্র সদস্য রুস্তম আলী ফরায়েজির দু’টি সম্পূরক প্রশ্নেরও জবাব দেন। বাসস।

বাংলাদেশ

সোমবার লন্ডন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
Published : 20.07.2014 12:40:22 am

মেয়েদের বিরুদ্ধে প্রথাগত সামাজিক অপরাধের প্রধান দুটি দিক ফিমেইল জেনিটাল মিউটিলেশন (এফজিএম) বা মেয়েদের খতনা এবং বাল্য ও জোরপূর্বক বিয়ে বা চাইল্ড আর্লি ফোর্সড ম্যারেজ (সিইএফএম) বিরোধী সামিটে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার তিন দিনের সফরে লন্ডন যাচ্ছেন।ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের আমন্ত্রণে ২২ জুলাই মঙ্গলবার, লন্ডনে অনুষ্ঠেয় এই শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন তিনি। সেখানে মেয়েদের বিরুদ্ধে সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে তার নিজের ভাবনা, বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নে তার সরকারের চলমান প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নে বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টা ব্রিটেনসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সুস্পষ্ট বলেই এই সামিটে শেখ হাসিনার যোগদানকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।২১ জুলাই সোমবার সকাল ১০টায় বিমানের বিজি-০০৬ ফ্লাইটে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী ও তার নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল। স্থানীয় সময় বিকাল সাড়ে তিনটায় লন্ডন হিথরো বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তার। প্রতিনিধি দলে থাকছেন- পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচএম মাহমুদ আলী, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকিসহ অন্যান্য সরকারী কর্মকর্তা। সাংবাদিকদের একটি গ্রুপও আন্তর্জাতিক এই গুরুত্বপূর্ণ সামিটে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হচ্ছেন।তিন দিনের সফরের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার যেকোনো সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের সাথে একান্ত বৈঠক করবেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে। দুই প্রধানমন্ত্রীর আলোচনায় ব্রিটেন-বাংলাদেশ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় প্রাধান্য পাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট পক্ষ।সামিট শেষে মঙ্গলবার বিকেলেই যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলেও যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফারুক ইফতার মাহফিলের প্রস্তুতি চূড়ান্ত বলে নিশ্চিত করেছেন।

বিস্তারিত
বাংলাদেশে সাহায্য কমালো মোদি সরকার

বাংলাদেশের জন্য সহায়তা কমালো নরেন্দ্র মোদি সরকার। গত বছরের তুলনায় এ সহায়তা কমানো হয়েছে শতকরা ৬০ ভাগ। গত অর্থবছরে বাংলাদেশের জন্য ভারতের এ সহায়তা বাজেট ছিল ৫৯০ কোটি রুপি। কিন্তু তা কমিয়ে এবার ৩৫০ কোটি রুপি প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এ সহায়তা কমানো হয়েছে ২৪০ কোটি রুপি। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা পিটিআই। এতে আরও বলা হয়, দেশটির ২০১৪-১৫ অর্থবছরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন্য বাজেট বেড়েছে ২৫ শতাংশ। সেখানে প্রতিবেশী সবগুলো দেশের ক্ষেত্রে সহায়তার অঙ্ক বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়া অন্য সব দেশের ক্ষেত্রেই বাড়ানো হয়েছে সহায়তার পরিমাণ। ভুটানের জন্য সহায়তার অংশ ৪১০৯ কোটি রুপি থেকে ৬৮ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৬০৭৪ কোটি রুপি। নেপালের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৪৫০ কোটি, যা গত অর্থবছরের তুলনায় ৭০ কোটি বেশি। শ্রীলঙ্কার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫০০ কোটি। আফগানিস্তানের জন্য বাজেট ৬৭৬ কোটি। বিগত অর্থবছরের তুলনায় ২৭.৭৬ কোটি বেশি। প্রতি অর্থবছরেই ভারতের বাজেটে পার্শ্ববর্তী দেশ ও আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বেশ কিছু দেশের জন্য মানবিক সহায়তা ও ঋণ বাবদ অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়

বিএনপিতে গণছাঁটাই চালাবেন তারেক!

ডেস্ক রিপোর্ট: রাজনীতির ময়দানে আন্দোলনের খেই হারিয়ে ফেলা বিএনপিকে চাঙ্গা করতে মহাপকিল্পনা নিয়েছেন দলটির সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।দলীয় সূত্র বলছে, টানা ক’বছর ধরে আন্দোলন নিয়ে নাস্তানাবুদ হওয়া বিএনপির ব্যর্থতার পাল্লা আর ভারি করতে চান না দলের ভবিষ্যত এই কর্ণধার। তাই যোগ্য, বিশ্বস্ত ও তরুণদের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে আনতে বিএনপিতে গণছাঁটাই চালাতে চান তিনি।তবে বিতর্কিতদের একেবারে ছাঁটাই না করে গুরুত্বপ‍ূর্ণ পদ থেকে সরিয়ে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়ে সৎ ও পরীক্ষিতদের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে আনার বিষয়টিও তিনি সিরিয়াসলি ভাবছেন।শেষ পর্যন্ত তিনি যাই করেন না কেন, গত কয়েক বছরের রাজনীতিতে দলের আন্দোলনে মাঠ থেকে সরে থাকা ও বিশ্বাসঘাতকতা করা নেতাদের যে এক হাত নেবেন তা নিশ্চিত করছে তারেক সংশ্লিষ্ট প্রায় সব সূত্রই।সূত্র বলছে, দীর্ঘ দিন ধরে দলের নেতাদের কর্ম তৎপরতা খেয়াল করছেন তারেক। তবে নেত‍ৃত্বে পরিবর্তনের কাজটা তিনি এমন কৌশলে করতে চান যাতে দলের মধ্যে এর বিরূপ প্রভাব কিছুতেই না পড়ে। শুধু বিএনপি নয়। এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোতেও একইভাবে ছাঁচাই চালাতে চান তারেক। ঢাকা মহানগরসহ বিএনপির ৭৫টি সাংগঠনিক জেলার নেতৃত্ব যোগ্য ও বিশ্বস্তদের হাতে তুলে দিতে চান তারেক রহমান।এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মিজা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, যোগ্য ও বিশ্বস্তদের নেতৃত্বে আনার ব্যাপারে আগ্রহী বিএনপি। তবে নেতৃত্বে কারা আসবেন সেটা কেন্দ্র নয়, তৃণমূলই ঠিক করবে। প্রতিটি সাংগঠনিক কমিটি হবে কাউন্সিলের মাধ্যমে।দলটির যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেন, বিএনপি সব সময় তরুণ নেতৃত্বকে উৎসাহিত করেছে। ভবিষ্যতেও তার ব্যত্যয় ঘটবে না।যোগ্য, বিশস্ত ও তরুণ নেতৃত্ব গড়ে উঠার বিষয়ে আশা প্রকাশ করেন তিনি। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, যেসব নেতার ব্যর্থতার কারণে ৫ জানুয়ারি নিবার্চন ঠেকাতে সরকারবিরোধী আন্দোলন তুঙ্গে উঠে ভেস্তে গেছে তাদের প্রতি চরম ক্ষুব্ধ তারেক রহমান। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যারা আন্দোলন থেকে স্বেচ্ছায় দূরে থেকেছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হয়েও যারা কোনো ভূমিকা না রেখে সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন এবং দলের সঙ্গে ‘বেঈমানি’ করেছেন তাদের দলে না রাখার পক্ষপাতী তিনি।এ ব্যাপারে কোনো ধরনের রাখঢাক বা লুকোচুরি না করে এখনই দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে তাদের সরিয়ে দিতে চান তারেক রহমান।বিশেষ করে গত জাতীয় নিবার্চনের আগে সারাদেশে অবরোধ এবং চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ঘোষিত ২৯ ডিসেম্বরের মার্চ ফর ডেমোক্রেসি কর্মসূচি ফ্লপ হওয়ায় বেশকিছু নেতার উপর বেজায় ক্ষুব্ধ হয়ে আছেন তারেক।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, পরবর্তী আন্দোলনের চূড়ান্ত ছক কষতে শুরু করেছেন তারেক। আর চূড়ান্ত আন্দোলনের আগেই বিএনপিতে এ ব্যাপারে একটি নীরব শুদ্ধি অভিযান চালানোর প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শুরুও করে দিয়েছেন তিনি। এ ছাড়াও উপরে উপরে দলের পক্ষে কথা বলে মিডিয়ায় কভারেজ নিলেও তলে তলে সরকারের সঙ্গে লিয়াজোঁ করে চলছেন এমন নেতাদের বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেছেন তারেক। আর দলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন এরকম হাতেগোনা কয়েকজন নেতার বিষয়ে বিশ্বস্ত নেতাদের ইতোমধ্যেই সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি।এমন বাস্তবতায় ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর দল পুনর্গঠনের ঘোষণা দিলেও হঠাৎ করে তা থমকে যায়। চার মাস আগে প্রস্তুতি নিয়েও মহানগর বিএনপির নতুন কমিটি ঘোষণা করা যায়নি। একমাত্র শ্রমিক দল ছাড়া অন্য কোনো অঙ্গসংগঠন পুনর্গঠন হয়নি, দেয়া যায়নি নতুন কমিটি। এ ছাড়া ১০ এপ্রিল সাংগঠনিক জেলাগুলোর পুনর্গঠন শুরু হলেও তা বেশিদূর অগ্রসর হতে পারেনি। ৭৫টি সাংগঠনিক জেলা বা ইউনিটের মধ্যে মাত্র ১৩টি জেলার নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেই পরবর্তী কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়।এমন পরিস্থিতিতে তারেক রহমান দলের খোলনলচে পাল্টে দেওয়ার যে পরিকল্পনা নিয়েছেন তা যে সহজ হবে না সে আলোচনা চলছে বিএনপির ভেতরেই।

ভিডিও