জর্জিয়ার খবর

চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন আটলান্টার মোসলেম উদ্দিন মৃধা
Published : 30.01.2015 08:04:06 pm

মানচিত্র নিউজ :জর্জিয়ার বাংলাদেশী কমিউনিটির সর্বস্ততের মানুষের শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় সিক্ত হয়ে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন আটলান্টার পরিচিত মুখ এডভোকেট মোসলেম উদ্দিন মৃধা । শুক্রবার বাদ জুমা আততাকয়া মসজিদে তার জানাজা নামাজ শেষে লরেন্সভিলের গোরস্থানে তার দাফন কার্য সম্পন্ন হয় । মরহুমের জানাজায় আটলান্টার তাকওয়া মসজিদে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী অংশ গ্রহণ করেন । লরেন্সভিল গোরস্থানেও তার সহকর্মী ,শুভাকাংখী ও জর্জিয়া আওয়ামীলীগ ,বিএন পির কর্মী সমর্থকগণ উপস্থিত ছিলেন শেষ বিদায় জানাতে । আগামী সোমবার বাদ আছর আততাকয়া মসজিদে তার আত্তার সন্তুষ্টি কামনায় বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে । ছোট বেলায় পিতা হারানো মরহুম মোসলেম উদ্দিন মৃধার জীবন যুদ্দ মসৃন ছিলনা । জীবনের চড়াই উতরাই পেরিয়ে গুড়ে দাড়ানোর সন্ধিক্ষণে এসে হেরে গেলেন মৃত্যু নামক চরম সত্যের কাছে । তার এই হটাত চলে যাওয়া কে মেনে নিতে পারছেনা সর্ব সাধারণ এমনটাই শোনা যাচ্ছিল জানাযায় আগত প্রবাসীদের মুখে । গত ২৭ জানুয়ারী মঙ্গলবার আনুমানিক রাত ১১ টার সময় ম্যাসিব হার্ট এটাকে তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন ।ইন্না লিল্লাহে-----রাজিউন । মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৬০বছর । বাংলাদেশের ফরিদপুরের সদরপুর এলাকার বাসিন্দা জনাব মৃধা দেশে আইন পেশায় জড়িত ছিলেন । নব্বইয়ের দশকে স্বপরিবারে বিদেশে পাড়ি দিয়ে তিনি আটলান্টার শ্যামলী/ডোরাভিল এলাকায় বসবাস করতেন । আটলান্টায় তার বৃদ্দ্ মা ,স্ত্রী ,এক ছেলে দুই মেয়ে রয়েছে । মোসলেম উদ্দিন মৃধা কমিউনিটির একজন বিশিষ্ট সংগঠক ছিলেন ,তিনি জর্জিয়া বাংলাদেশ সমিতির সাবেক সহ -সভাপতি ও বর্তমান জর্জিয়া আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন । তার মৃত্যু সংবাদে কমিউনিটির বিশিষ্টজনেরা বাসায় ছুটে গিয়েছেন শোক সমতপ্ত পরিবার কে সমবেদনা জানাতে । মরহুমের শেষ যাত্রা সম্পন্ন করনে জর্জিয়া আওয়ামীলীগের সভাপতি আলী হোসেন ,সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ রহমান,জর্জিয়া সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সহ অনেকে এগিয়ে এসেছেন ।

বিস্তারিত
আত তাকওয়া মসজিদে মোসলেম উদ্দিন মৃধার জানাজা শুক্রবার

মানচিত্র নিউজ : গত ২৭ জানুয়ারী মঙ্গলবার আনুমানিক রাত ১১ টার সময় ম্যাসিব হার্ট এটাকে পরলোক গমন করেন আটলান্টা প্রবাসী এডভোকেট মোসলেম উদ্দিন মৃধা । ইন্না লিল্লাহে-----রাজিউন । মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৬০বছর । বাংলাদেশের ফরিদপুরের সদরপুর এলাকার বাসিন্দা জনাব মৃধা দেশে আইন পেশায় জড়িত ছিলেন । নব্বইয়ের দশকে স্বপরিবারে বিদেশে পাড়ি দিয়ে তিনি আটলান্টার শ্যামলী/ডোরাভিল এলাকায় বসবাস করতেন । ছোট বেলায় বাবাকে হারিয়ে মায়ের সানিধ্যে বড় হওয়া এক মাত্র সন্তান মৃধা প্রিয় মাকে নিয়েই আটলান্টায় থাকতেন । দুনিয়ায় একমাত্র রক্তের বন্ধন ছেলের আকস্মিক চলে যাওয়ায় বৃদ্দ্ মা এখন পাগল প্রায় ,পরিবারের স্ত্রী এক ছেলে দুই মেয়ে তার আকস্মিক চলে যাওয়ায় নির্বাক হয়ে পড়েছেন । বাংলাদেশী কমিউনিটিতে এই চরম বেদনার খবরে নেমে এসেছে শোকের ছায়া । শুক্রবার বাদ জুমআ জর্জিয়ায় আত তাকওয়া মসজিদে মরহুমের নামাজের জানাজা সম্পন্ন করে জর্জিয়ার লরেন্সভিলস্থ মুসলিম গোরস্থানে দাফন করা হবে । আগামী ২ ফেব্রুয়ারী সোমবার বাদ আছর তার রুহের মাগফেরাত কামনায় তাকওয়া মসজিদে এক দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে | মোসলেম উদ্দিন মৃধা কমিউনিটির একজন বিশিষ্ট সংগঠক ছিলেন ,তিনি জর্জিয়া বাংলাদেশ সমিতির সাবেক সহ -সভাপতি ও বর্তমান জর্জিয়া আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন । তার মৃত্যু সংবাদে কমিউনিটির বিশিষ্টজনেরা বাসায় ছুটে গিয়েছেন শোক সমতপ্ত পরিবার কে সমবেদনা জানাতে । মরহুমের প্রিয় সংগঠন জর্জিয়া আওয়ামীলীগের সভাপতি আলী হোসেন ,সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ রহমান সার্বক্ষণিক পরিবারের সাথে যোগাযোগ রেখে চলছেন । যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সহ - সভাপতি ডা :মুহাম্মদ আলী মানিক,জর্জিয়া আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি হুমাউন কবির কাউসার,সহ-সভাপতি শেখ জামাল,সহ-সভাপতি মোস্তাক আহমেদ ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোস্তফা কামাল মাহমুদ ও জর্জিয়া বাংলাদেশ সমিতির সভাপতি সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে জাহাঙ্গীর হোসেন , আহমাদুর রহমান পারভেজ মুসলেম উদ্দিন মৃধার আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশসহ পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন এবং মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় সকল প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে দোওয়া কামনা করেছেন।মরহুম জনাব মোসলেম উদ্দিন মৃধার রুহের মাগফেরাত কামনায় দল মত নির্বিশেষে সকলের দোয়া প্রার্থনা করেছেন ।

আটলান্টা প্রবাসী মোসলেম উদ্দিন মৃধা আর নেই

মানচিত্র নিউজ : গত ২৭ জানুয়ারী মঙ্গলবার আনুমানিক রাত ১১ টার সময় ম্যাসিব হার্ট এটাকে পরলোক গমন করেন আটলান্টা প্রবাসী এডভোকেট মোসলেম উদ্দিন মৃধা । ইন্না লিল্লাহে-----রাজিউন । মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৬০বছর । বাংলাদেশের ফরিদপুরের সদরপুর এলাকার বাসিন্দা জনাব মৃধা দেশে আইন পেশায় জড়িত ছিলেন । নব্বইয়ের দশকে স্বপরিবারে বিদেশে পাড়ি দিয়ে তিনি আটলান্টার শ্যামলী/ডোরাভিল এলাকায় বসবাস করতেন । ছোট বেলায় বাবাকে হারিয়ে মায়ের সানিধ্যে বড় হওয়া এক মাত্র সন্তান মৃধা প্রিয় মাকে নিয়েই আটলান্টায় থাকতেন । দুনিয়ায় একমাত্র রক্তের বন্ধন ছেলের আকস্মিক চলে যাওয়ায় বৃদ্দ্ মা এখন পাগল প্রায় ,পরিবারের স্ত্রী এক ছেলে দুই মেয়ে তার আকস্মিক চলে যাওয়ায় নির্বাক হয়ে পড়েছেন । বাংলাদেশী কমিউনিটিতে এই চরম বেদনার খবরে নেমে এসেছে শোকের ছায়া । মোসলেম উদ্দিন মৃধা কমিউনিটির একজন বিশিষ্ট সংগঠক ছিলেন ,তিনি জর্জিয়া বাংলাদেশ সমিতির সাবেক সহ -সভাপতি ও বর্তমান জর্জিয়া আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন । তার মৃত্যু সংবাদে কমিউনিটির বিশিষ্টজনেরা বাসায় ছুটে গিয়েছেন শোক সমতপ্ত পরিবার কে সমবেদনা জানাতে । মরহুমের প্রিয় সংগঠন জর্জিয়া আওয়ামীলীগের সভাপতি আলী হোসেন ,সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ রহমান সার্বক্ষণিক পরিবারের সাথে যোগাযোগ রেখে চলছেন । জানা গেছে , শুক্রবার জর্জিয়ায় আত তাকওয়া মসজিদে মরহুমের নামাজের জানাজা সম্পন্ন করে জর্জিয়ার মুসলিম গোরস্থানে দাফন করা হবে । যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সহ - সভাপতি ডা :মুহাম্মদ আলী মানিক,জর্জিয়া আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি হুমাউন কবির কাউসার,সহ-সভাপতি শেখ জামাল,সহ-সভাপতি মোস্তাক আহমেদ ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোস্তফা কামাল মাহমুদ মরহুম জনাব মোসলেম উদ্দিন মৃধার রুহের মাগফেরাত কামনায় দল মত নির্বিশেষে সকলের দোয়া প্রার্থনা করেছেন ।

প্রবাস

কোকোর মৃত্যুতে ফিনল্যান্ড বিএনপির শোক
Published : 27.01.2015 11:08:26 pm

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ফিনল্যান্ড শাখা।শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ফিনল্যান্ড বিএনপির সভাপতি জামান সরকার ও সাধারণ সম্পাদক মবিন মোহাম্মদ এক সংবাদ বিবৃতিতে এ শোক জানান।বিবৃতিতে মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়। এতে বলা হয়, দেশের এই দুঃসময়ে এতো বেদনাদায়ক একটি শোক কাটিয়ে ওঠা সত্যিই অনেক কঠিন ব্যাপার। আমরা ফিনল্যান্ডের সব প্রবাসী বাংলাদেশি পরম করুণাময় সর্ব শক্তিমান আল্লাহর কাছে দোয়া করছি যেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এই শোক কাটিয়ে উঠতে পারেন। বাংলাদেশের গণতন্ত্র আদায়ের সংগ্রামে এই শোক যেন শক্তিতে পরিণত হয়।

বিস্তারিত
নিউইয়র্কে ষ্টেট এসেম্বলির স্পিকার শেলডন সিলভার গ্রেপ্তার

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি: নিউইয়র্ক ষ্টেট এসেম্বলির স্পিকার শেলডন সিলভারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রায় ৪ মিলিয়ন ডলার আত্মসাতসহ নানা দুর্নীতির অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার সকালে এফবিআই সদস্যরা তাঁকে গ্রেপ্তার করে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা বাংলা প্রেস।নিউ ইয়র্কের দক্ষিনাঞ্চল ডিষ্ট্রিক্ট এর ইউএস অ্যাটর্নি প্রীট ভ্যারেরা সংবাদকর্মিদের জানান, গ্রেপ্তারকৃত শেলডনের বিরুদ্ধে সৎ সেবা জালিয়াতি ও সৎ সেবা জালিয়াতির উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্রের ২টি অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি নিউ ইয়র্ক গভর্ণমেন্ট, রিয়েল এষ্টেট ইন্ডাষ্ট্রিজ ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। ইতোমধ্যে তাঁর পাসপোর্টও বায়েজাপ্ত করা হয়েছে। এ মামলায় দোষী প্রমানিত হলে ১শ’ বছর পর্যন্ত সাজা হতে পারে বলে আইনজীবিরা ধারনা করেছেন। তবে এ মুহর্তে তাঁর পদত্যাগের কোনো ইচ্ছা নেই। স্বপদেই থাকবেন তিনি জানান। শেলডন সিলভার নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনে জন্ম গ্রহন করেন এবং ব্রুকলিনের ইয়েশিভা বিশ্ববিদ্যায়েলয়ের আইনবিদ্যায় গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রভাবশালী এ সদস্যকে গ্রেপ্তারে দলের ভেতরে চলছে নানা সমালোচনা।

ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের মাইকেল জে. ডেভিডসন নামে চিকিৎসককে গুলি করে হত্যা

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের বোস্টনের একটি হাসপাতালে মাইকেল জে. ডেভিডসন নামে এক চিকিৎসককে গুলি করে হত্যা করেছে স্টিফেন প্যাসেরি (৫৫)। পরে হত্যাকারী নিজে আত্মহত্যা করেছে।বুধবার ব্রিগহ্যাম অ্যান্ড উইমেন’স হাসপাতালে পৌনে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।স্টিফেন হাসপাতালে ঢুকে মাইকেল জে. ডেভিডসন নামের ওই চিকিৎসককে খুঁজে বের করেন। তিনি এন্ডোভাসক্যুলার কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের পরিচালক। হাসপাতালটির তৃতীয় তলায় একটি পরীক্ষাগারের বাইরে ডেভিডসনকে লক্ষ্য করে ২ বার গুলি করেন ম্যাসাচুসেটসের মিলবেরির বাসিন্দা স্টিফেন।এরপর নিজের দিকে বন্দুক তাক করে গুলি করেন। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাদের। এ ঘটনার পর বোস্টনের পুলিশ কমিশনার উইলিয়াম ইভানস জানান, পুলিশ কর্মকর্তারা হাসপাতালের প্রতিটি কক্ষে তল্লাশি চালান এবং হাসপাতালের অতিরিক্ত একটি কক্ষ থেকে বন্দুকসহ হামলাকারীর মৃতদেহ উদ্ধার করেন। গতকাল রাতে ওই চিকিৎসকের পরিচয় নিশ্চিত করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এক বিবৃতিতে বলা হয়, চিকিৎসক ডেভিডসন চমৎকার মানুষ এবং অনুপ্রেরণাদায়ক কার্ডিয়াক সার্জন ছিলেন। মানুষের জীবন বাঁচাতে এবং প্রতিটি রোগীর জীবনমান উন্নত করার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন।ওই বিবৃতিতে আরো বলা হয়, এটা সত্যিই ভয়াবহ যে, তার নিজের জীবন এতো ভয়ানকভাবে নেয়া হলো।এদিকে এ ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও উদঘাটন করা সম্ভব হয়নি। তবে প্রাথমিক তদন্তে বলা হচ্ছে, ডেভিডসনের রোগী ছিলেন না প্যাসেরি। এখন পর্যন্ত হত্যার উদ্দেশ্য সম্পর্কে কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য দেয়া হয়নি। অতীতের কোন ঘটনার সূত্র ধরে এ হত্যাকা-ের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে নিশ্চিত করেছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ

সমাধানের পথ একমাত্র সংলাপ : রাজু আহমেদ
Published : 28.01.2015 12:00:05 pm

সংলাপের কথা উঠলেই একপক্ষ মনে করেন, বিএনপির সকল দাবী মেনে নিচ্ছে সরকার । বিএনপির কাছে আওয়ামীলীগের পরাজয় হয়েছে । আসলে কিন্তু তা নয় । কেননা সংলাপে বসলে আওয়ামীলীগের দাবীর পক্ষেও সিদ্ধান্ত স্থির থাকতে পারে । আওয়ামীলীগ কিংবা বিএনপির স্বার্থ রক্ষার জন্য নয় বরং দেশে যে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তাতে গোটা দেশবাসীর স্বার্থ রক্ষার জন্যই সংলাপ একান্ত আবশ্যক । সংলাপে বসলেই যে সমস্যার পূর্ণ সমাধান হয়ে যাবে এমন আশা নাই তবে দেশে চলমান অস্থির অবস্থার অনেকটা কমে যাবে সেটা একরকম নিশ্চিত । আওয়ামীলীগ এবং বিএনপি যদি সমাধানের উদ্দেশ্যে সংলাপের টেবিলে আসে তবে দেশ যেমন ধ্বংসের কবল থেকে রক্ষা পাবে তেমনি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও সম্পর্ক বজায় থাকবে । দু’টো বৃহৎ রাজনৈতিক দলের মনে রাখা উচিত, দেশ না বাঁচলে তাদের অস্তিত্ত্বও থাকবে না । রাজনীতি তো অনেক পরের কথা । যাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য রাজনীতি করা হয় সেই তারাই যদি ক্ষোভে ফেটে পরে তবে রাজনীতির চর্চা হবে কাদের নিয়ে ? তাইতো নমনীয় হতে হবে দু’দলকেই । পরস্পরের সাথে আলোচনায় বসলেই যে সম্মান চলে যাবে এমন কথা কোথাও লেখা নাই । জাতীয় নির্বাচন কার অধীনে এবং কিভাবে হবে সেটা পরের ব্যাপার আগে সংলাপের টেবিলে বসার সিদ্ধান্ত হোক । যেভাবে দেশ চলছে এভাবে কেবল ব্যর্থ দেশ চলতে পারে । কোন স্বাধীন দেশের চিত্র এমনটা হতে পারে না । মানুষ মরছে, সম্পদ ধ্বংস করা হচ্ছে, সম্পর্কে দূরত্ব সৃষ্টিসহ আরও কত কি । একটি স্বাধীন দেশ এভাবে কতদিন চলতে পারবে ? জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করে গণতন্ত্রের চর্চা চলে না । সংলাপ-সমঝোতা ছাড়া উদ্ভূত পরিস্থিতি সামলানোর অন্য কোন উপায় আছে বলে মনে হয় না । সংলাপে বসার অর্থ এই নয় যে, একদলের স্বার্থ পূর্ণতা পেল অন্যদল সব হারাল । মানুষের দৈহিক কিংবা বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতার চেয়ে মৌখিক ক্ষমতা অনেক বেশি । কথার মাধ্যমে মানুষকে বন্ধুত্বেও পরিণত করা যায় আবার চরম শত্রুতেও রুপ দেয়া যায় । দেশে রাজনৈতিক কর্তাব্যক্তিদের পরস্পর কথা চালাচালিতে একে অপরকে চিরশত্রুতে পরিণত করছে । অথচ এটা পরিহার করা অত্যাবশ্যক । সংলাপে বসলে আওয়ামীলীগের স্বার্থহানি কিংবা বিএনপির স্বার্থ উদ্ধার হবে এমনটা নয় বরং দল দু’টো রাজনৈতিক দলের মতাদর্শের দূরত্ব কমে এসে গণতন্ত্রের সঠিক রাস্তায় হাটার দিশা পাবে । অন্যদিকে যেভাবে দেশের অস্থিতিশীলতা শুরু হয়ে বিশৃঙ্খলা ও অশান্তি চেপে বসেছে তাও দূর হবে । তবে সংলাপের বসার পূর্বে দু’টো দলকেই অন্তত বদ্ধমূল দাবী পরিহার করে ত্যাগের মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে । অবরোধ, হরতাল মাথায় নিয়ে দেশ সঠিকভাবে চলতে পারে না । আওয়ামীলীগ এবং বিএনপি যদি দাবী করে, তারা গণমানুষের সেবক তবে চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে সংলাপের টেবিলে বসা উচিত । এতে তাদেরও যেমন কল্যান তেমনি দেশবাসীরও মুক্তি । বেগম জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুর পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালেদা জিয়াকে স্বান্তনা দেয়ার উদ্দেশ্যে বেগম জিয়ার গুলশান কার্য্যারলয়ে গিয়ে দেখা না পেয়ে ফিরে এসেছেন । অনেকেই মনে করছেন, শেখ হাসিনাকে দেখা না দিয়ে খালেদা জিয়া নিজেই সংলাপের পথ রুদ্ধ করে দিয়েছেন । যারা এমনটা মনে করেন তাদের সাথে ব্যক্তিগতভাবে একমত নই । এতে সংলাপের রাস্তা বন্ধ হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না বরং সংলাপে না বসার জন্য একটি অযৌক্তিক ইস্যু তৈরি করা যায় মাত্র । গুলশানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতির সময় পুত্রের মৃত্যু শোকে কাতর বেগম জিয়াকে ডাক্তারের পরামর্শে ঘুমের ইনজেকশান দিয়ে ঘুম পড়িয়ে রাখা হয়েছিল বলে জানানো হয়েছে । তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আসার পরেও বিএনপির কোন জেষ্ঠ্য নেতা তাকে দেখা না দেওয়া কিংবা গুলশান কারর্য্যা লায়ের প্রধান ফটকটি বদ্ধ করে রাখা উচিত হয়নি । অবশ্য বিএনপির তরফ থেকে দাবী করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর আগমনের সংবাদ তারা জানতেন না । আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে যদি বিএনপির সে দাবীকে উপেক্ষা করা হয় তবে দাবী ভিন্নরুপ ধারণ করবে । কেননা বাংলাদেশের রাজনীতি যেহেতু ঘূর্ণায়মানভাবে আবর্তিত হয়ে শোধ নেয় সেহেতু এ ঘটনার রেশ জানতে আরেকটু পিছনে ফিরে যেতে হতে পারে । ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট বোমা হামলায় আহত তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনাকে দেখার উদ্দেশ্যে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া যেতে চেয়েছিলেন । কিন্তু আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরা রাস্তায় শুয়ে বেগম জিয়ার যাওয়ার পথকে বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছিল । তবে দেশেবাসী এমন শোধের কিংবা অন্য কোন হীন স্বার্থের চরিতার্থের পূনরাবৃত্তি দেখতে চায়না । সকল যুক্তি তর্কের পরেও, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গুলশান কারর্যাালয়ের ফটকে এসে এভাবে ফিরে যাবেন এটা কাম্য ছিল না । অন্তত বিএনপির একজন নেতাও যদি প্রধামন্ত্রীকে স্বাগতম জানিয়ে পরিস্থিতি খুলে বলতেন সেটাই মঙ্গলের হত । সব কিছুর পরেও বলব, ব্যক্তি স্বার্থের জন্য সংলাপ নয় বরং সংলাপ প্রয়োজন জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য । বর্তমানে দেশের সকল মানুষ সমস্যায় পতিত হলেও দ্বন্দ্ব মূলত আওয়ামীলীগ ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে । এ দ্বন্দ্বের সমাধান জন্য দেশবাসী যখন কায়মনোবাক্যে প্রার্থনায় এবং দু’দল প্রধানের সুমতির খবর শ্রবনের অপেক্ষায় চাতকের মত অধীর আগ্রহে বসে আছে তখন দেশের কিছু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনীর কর্তাদের বক্তব্য-বিবৃতিতে গোটা দেশবাসীকে হতাশ করছে । অনেক কথা বলা যায় এবং ব্যক্তিকে সংবিধান সে স্বাধীনতাও দিয়েছে কিন্তু সব কথা কি বলতে আছে ? সেসব কর্তাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন নয় বরং শাসকের পরিবর্তনে এর ফল কত ভয়াবহ হতে পারে এবং তাতে ক্ষতিগ্রস্থ কারা হবে সেটা বিবেচনায় আনা দরকার । মানুষ মেরে ফেলার মত সহজ কাজ আজ আর কিছুই নাই তবে মানুষকে কি পাখির মত মারা যাবে ? হাতে অস্ত্র থাকলেই যে তা দিয়ে মানুষ মারতে হবে এমন কথা বলার পূর্বে বারবার ভাবা উচিত । মানুষ মারতে গিয়ে হয়ত টার্গেটকারীর বুক কম্পিত হয়না কারণ তাকে ওপর থেকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে কিংবা তার এটাই দায়িত্ব কিন্তু যে অস্ত্রের মাধ্যমে মানুষ মারা হচ্ছে সেটার যদি ভাষা থাকত তবে সেটার ক্রন্দনের শব্দ অবশ্যই কর্ণকে ঝংকারিত হত । যারা বোমা মেরে মানুষ মারে ওদের মত ঘৃণিত মানুষের আকাশে নিচে এবং যমিনের উপর দ্বিতীয়টি আর আছে বলে মনে হয়না । কবে যে এদেরে বিবেক জাগবে স্বয়ং স্রষ্টাই সেটা ভালো জানেন । মনে রাখা উচিত, মীমাংসা করতে উদ্যোগী হয়ে যারা দু’দলকে সংলাপ সমাঝোতার টেবিলে বসাবে তাদেরকে জাতি হাজার বছর শ্রদ্ধা ও সম্মানের সাথে স্মরণ করবে । আর যারা দু’দলকে উস্কে দিবে তাদের ঠাঁই হবে ইতিহাসের ঘৃণ্য পাতায় । রাজনৈতিক দলগুলোকে দেশ ও দেশের মানুষের স্বার্থে সংলাপ ও সমঝোতার পথে হাটা উচিত । ক্ষমতার মসনদ কারো চিরস্থায়ী নয় আবার বিরোধীদলেও যুগ-যুগান্তর ধরে কাউকে কাটাতে হয় না । দেশের রাজনীতির মূলমন্ত্র যদি গণতন্ত্র হয় তবে সে গণতন্ত্র মানুষের নিরাপত্তার কথা, মানুষ কিভাবে সূখ-শান্তিতে থাকতে পারবে তার কথা বলে । গণমানুষের স্বার্থেই আজ সংলাপ হওয়া জরুরী । নির্বাচন কিভাবে হবে কিংবা কার অধীনে হবে তার সিদ্ধান্ত পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমেই কেবল হতে পারে । তবে যদিন মনোভাব থাকে, ‘সালিশি মানি তবে তালগাছ আমার’ তবে কষ্মিনকালেও সমস্যার সমাধান হবে না । দু’দলকেই সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষায়, নিরাপত্তা দানে ব্রতী হয়ে রাজনীতির মঞ্চে আসতে হবে । বক্তির চেয়ে দলের, দলের চেয়ে জাতির বেশি কল্যান সাধণের মনোবাসনা থাকা অত্যন্ত জরুরী । হরতাল, অবরোধ আহ্বান করা কিংবা এগুলো আহ্বানের উপলক্ষ্য তৈরি করে দেয়া গণতান্ত্রিক অধিকার বটে তবে মানুষ মারার অধিকার কোন মানুষকে দেয়া হয়নি । দেশের প্রতিটি মানুষ, রাজনীতির সুষ্ঠু চর্চার মাধ্যমে চলমান সমস্যার সমাধান চায় । আশা নয় বিশ্বাস, আওয়ামীলীগ ও বিএনপি উভয় দলই মানুষের আকুতি বুঝবে এবং খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান করতে উদ্যোগ গ্রহন করবে । সবশেষে আরাফাত রহমান কোকোর মাগফেরাত কামনা করে এবং শোকাহত পরিবারকে উত্তম ধৈরর্য্য ধারণ করার অনুরোধ করছি । আরাফাত রহমানের মৃত্যু থেকে যেন সবাই শিক্ষা নিতে পারি । কে কতদিন বাঁচবে তা কেবল স্রষ্টাই ভালো জানেন তবে যতদিন বেঁচে আছি ততদিন যেন আমার/আমাদের দ্বারা কারো ক্ষতি না হয় । ক্ষনিক জীবনের কর্মকান্ডেই যেন আমাদেরকে হাজার হাজার বছর মানুষের মনে সম্মানের সাথে বাঁচিয়ে রাখে; ঘৃণায় নয় ।

বিস্তারিত
কোকোর দাফন সামরিক কবরস্থানে না হওয়ার কারণ

সামরিক কবরস্থানে আরাফাত রহমান কোকোকে দাফনের অনুমতি কেন মেলেনি, এ বিষয়ে গতকাল দিনভর আলোচনা ছিল দেশজুড়ে। এ বিষয়ে অবসরপ্রাপ্ত এক সামরিক কর্মকর্তা বলেছেন, ২১ বছর পেরিয়ে যাওয়ার কারণে সেনা কবরস্থানে তাঁকে দাফনের সুযোগ নেই। তবে অন্য এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেছেন, শুধু ছেলেমেয়ে নয়, শ্বশুর-শাশুড়িদেরও সামরিক কবরস্থানে দাফন করা যেতে পারে। মেজর জেনারেল (অব.) এ কে মোহাম্মদ আলী শিকদার বলেন, 'সেনা বিধি অনুসারে একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তাঁর স্ত্রী সেনাবাহিনীর প্রচলিত সুযোগ-সুবিধা যেমন রেশন, চিকিৎসা, পেনশন ও মৃত্যুর পর সেনা কবরস্থানে দাফনের সুযোগ পাবেন। কর্মকর্তা বা সেনা সদস্যের সন্তানদের বেলায় ২১ বছর পেরিয়ে গেলে তাঁরা সেনাবাহিনী থেকে উপরোক্ত কোনো সুযোগ-সুবিধাই পাবেন না। স্বাভাবিক নিয়মে ২১ বছর পেরিয়ে যাওয়ায় আরাফাত রহমান কোকো সেনা কবরস্থানে দাফনের সুযোগ পাবেন না। খালেদা জিয়া এখন পেনশন ও রেশন পান (নেন কি না জানি না)। চাইলে মৃত্যুর পর সেনা কবরস্থানে তাঁর দাফন হতে পারে।'

যানজট নিরসনে সংসদে মেট্রোরেল বিল পাস, কাজ শেষ ২০১৯ সালে

রাজধানীতে যানজট নিরসনে বহুল প্রত্যাশিত মেট্রোরেল নির্মাণে সোমবার জাতীয় সংসদে ‘মেট্রোরেল আইন-২০১৫’ বিল পাস হয়েছে। বিলটি পাসের সময় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সংসদকে জানান, মেট্রোরেল নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ২০২৪ সালে। তবে এর পাঁচ বছর আগেই, অর্থাত্ ২০১৯ সালের মধ্যেই এর নির্মাণ কাজ শেষ হবে। ওবায়দুল কাদের বলেন, নতুন প্রজন্মের স্বপ্নের এবং বর্তমান সরকারের মেগা প্রকল্প হচ্ছে দেশের ইতিহাসে প্রথম এই মেট্টোরেল স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ২২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে রাজধানীর উত্তরা থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত ২০ কিলোমিটারের কিছু বেশি দীর্ঘ নির্মিতব্য এই মেট্রোরেলের স্টেশন হবে ১৬টি। ভ্রমন সময় লাগবে মাত্র ২৮ মিনিট। ঘন্টায় এই মেট্টোরেল প্রায় ৬০ হাজার যাত্রী বহন করতে পারবে। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে, আর মেট্রোরেল হচ্ছে জাইকার সহযোগিতায়। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলের উপর এম এ হান্নান, হাজী মোহাম্মদ সেলিম ও রুস্তম আলী ফরাজী জনমত যাচাই-বাছাই প্রস্তাব জমা দিলেও তা কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। এরআগে গত ৩০ নভেম্বর সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর তা অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। বিলটি পাসের আগে মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সংসদে বলেন, ঢাকা শহরের যানজট নিরসন এবং জনসাধারণকে দ্রুত ও উন্নত গণপরিবহন সেবা দেয়ার লক্ষ্যে মেট্রোরেল নির্মাণের জন্য সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ প্রথম মেট্রোরেল চালু হবে। তাই মেট্রোরেল নির্মাণ, পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য সুনির্দ্দিষ্ট আইনের প্রয়োজন। সেজন্য এই বিলটি আনা হয়েছে। পাস হওয়া বিলে মেট্রোরেলের ভাড়া নির্ধারণের জন্য একটি উপ-কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। লাইসেন্স ছাড়া মেট্রোরেল পরিচালনা ও অনুমোদন ছাড়া মালিকানা হস্তান্তর নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আর সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এই রেল স্থাপন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের সুযোগ রাখা হয়েছে। মেট্রোরেলে চলাচলকারী সকলের বিমা থাকবে। কোন দুর্ঘটনা ঘটলে যাত্রীরা উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ পাবে। এই রেল চলাচলে বাধা সৃষ্টি, বিনা টিকেটে ভ্রমণ এবং নিরাপত্তা বিঘ্নিত করলে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। সর্বোচ্চ শাস্তির মধ্যে রয়েছে ১০ বছর কারাদণ্ড ও এক কোটি টাকা জরিমানা। বিলে মেট্রোরেলের যাত্রীদের জন্য বীমার বিধান রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া মেট্রোরেলের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ আইনের বিধান অনুযায়ী ভূমি অধিগ্রহণের বিধান রাখা হয়েছে। ফাইনান্সিয়াল রিপোর্টিং আইন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বচ্ছতা আনার লক্ষ্যে সংসদে ‘ফাইনান্সিয়াল রিপোর্টিং আইন-২০১৫’ উত্থাপন করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বিলটি উত্থাপনের পর তা অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

ভিডিও